শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার: পবিত্র ঈদুল আযহায় কোরবাণীর জন্য বাজারে প্রচুর দেশি গরু ওঠলেও এখনো জমে ওঠেনি, ক্রেতারা বাজারে ওঠা গরু দেখে ও দাম-দর জিজ্ঞাসা করেই চলে যাচ্ছেন, আর বিক্রেতারা বিক্রির আশায় অপেক্ষা করছেন। শুক্রবার সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দিরাই পৌরসভার হেলিপ্যাড মাঠে অবস্থিত কোরবাণীর হাটে সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে এমন তথ্য। কোরবাণীর হাট ইজারাদার সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারো প্রচুর দেশি গরু আসা ও বেশি বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রচুর দেশি গরু বাজারে আসলেও বিক্রির সংখ্যা তুলনামূলক কম। শুক্রবার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ি প্রায় অর্ধশতাধিক গরু বিক্রি হয়েছে, এরমধ্যে সর্বোচ্চ দাম ছিল ৬৫ হাজার টাকা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দিরাই উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের লুৎফুর রহমান নিজ ঘরের পালিত একটি লাল রঙের গরু বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন, তিনি এর দাম চাচ্ছেন ১ লাখ ১০ হজার টাকা। খালিয়াজুরি উপজেলার কল্যাণপুর থেকে এসেছেন আব্দুল মতিন, তিনি কালো রঙের হৃষ্টপুষ্ট দুটি গরুর দাম হাঁকছেন ২ লাখ ৩০ হাজার। সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার দামপুর গ্রামের মোঃ মোবারক মিয়া লাল-সাদা মিশ্র রঙের একটি গরু দাম হাঁকছেন ১ লাল ৫ হাজার টাকা। দিরাই উপজেলার করিমপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়া নিজ ঘরের পালিত একটি সাদা রঙের গরু নিয়ে এসে দাম হাঁকছেন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। তার গরুটি ক্রেতাদের দৃষ্টি কেড়েছে। উপজেলার শ্যামারচর গ্রামের মোঃ দুলাল মিয়া দুটি হৃষ্টপুষ্ট খাশি নিয়ে এসেছেন, এরমধ্যে একটির দাম হাঁকছেন ২৬ হাজার ও আরেকটি ১০ হাজার টাকা। এছাড়াও বাজারে আজমিরিগঞ্জ, ভীমখালি, কিশোরগঞ্জ থেকেও দিরাইয়ের কোরবাণীর বাজারে গরু এসেছে। দিরাই কোরবাণীর বাজার পরিচালনাকারী মোঃ নূরুল হক এ প্রতিবেদককে জানান, বাজারে দেশি গরু প্রচুর এসেছে, তবে এখন পর্যন্ত ভালো বিক্রি হয়নি। ক্রেতারা বাজারে এসে ঘুরে যাচ্ছেন আর দাম শুনছেন। তিনি বলেন, ঈদ সামনে এলে বিক্রি আরো বাড়বে, তবে বাজারে গরু নিয়ে আসা পাইকাররা হতাশ হলেও ভালো বিক্রির আশায় বাজারে আসছেন। এ পর্যন্ত বিক্রির হারে বড় গরুর চেয়ে ছোট গরুই বেশি বলে ইজারাদার সূত্রে জানা গেছে।